
পাহাড়ি জুমের কালো বিন্নি চাল | Organic Pahari Black Binni Rice
Size/Weight
কুরিয়ার ডেলিভারি খরচ
- সর্বমোট ১ কেজি ১৩০ টাকা৳130
- সর্বমোট ২ কেজি ১৫০ টাকা৳150
- সর্বমোট ৩ কেজি ১৭০ টাকা৳170
- সর্বমোট ৪ কেজি ১৯০ টাকা৳190
- সর্বমোট ৫ কেজি ২১০ টাকা৳210
- সর্বমোট ৬ কেজি ২৩০ টাকা৳230
- সর্বমোট ৭ কেজি ২৫০ টাকা৳250
- সর্বমোট ৮ কেজি ২৭০ টাকা৳270
- সর্বমোট ৯ কেজি ২৯০ টাকা৳290
- সর্বমোট ১০ কেজি ৩১০ টাকা৳310
- সর্বমোট ১১ কেজি ৩৩০ টাকা৳330
- সর্বমোট ১২ কেজি ৩৫০ টাকা৳350
- সর্বমোট ১৩ কেজি ৩৭০ টাকা৳370
- সর্বমোট ১৪ কেজি ৩৯০ টাকা৳390
- সর্বমোট ১৫ কেজি ৪১০ টাকা৳410
পণ্যের বিস্তারিত
খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জুমের কালো বিন্নি চাল
Paharer Bazar – খাঁটি পাহাড়ি জুমের কালো বিন্নি চাল খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জুম চাষে উৎপাদিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও সুগন্ধি চাল। গাঢ় কালো-বেগুনি রঙ, বিশেষ ঘ্রাণ এবং রান্নার পর আকর্ষণীয় বেগুনি আভা কালো বিন্নি চালকে সাধারণ চালের তুলনায় আলাদা বৈশিষ্ট্য দেয়।
ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, পায়েস ও বিভিন্ন বিশেষ খাবার তৈরিতে উপযোগী। রান্নার পর চালের স্বাভাবিক বেগুনি আভা খাবারে এনে দেয় ভিন্নমাত্রার সৌন্দর্য।
পণ্যের পরিচিতি
- খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জুম চাষে উৎপাদিত কালো বিন্নি চাল।
- পাহাড়ি কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়।
- গাঢ় কালো-বেগুনি রঙ ও স্বতন্ত্র প্রাকৃতিক ঘ্রাণের জন্য পরিচিত।
- রান্নার পর আকর্ষণীয় বেগুনি আভা দেখা যায়।
- বিশেষ স্বাদ ও নরম টেক্সচারের জন্য বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারে ব্যবহারযোগ্য।
- কৃত্রিম রং বা কৃত্রিম ফ্লেভার যোগ করা হয় না।
- বাছাই, পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্যাকেজিং করা হয়।
পাহাড়ি জুমের কালো বিন্নি চালের বিশেষত্ব
জুম চাষ পাহাড়ি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী কৃষি পদ্ধতির একটি অংশ। খাগড়াছড়ির পাহাড়ি পরিবেশে উৎপাদিত কালো বিন্নি চালের স্বাভাবিক রং, ঘ্রাণ ও স্বাদই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি বিশেষ আয়োজনের রান্নাতেও এটি ব্যবহার করা যায়।
প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি
- পাহাড়ি জুম জমিতে ধান চাষ ও পরিচর্যা করা হয়।
- পরিপক্ব ধান হাতে কেটে সংগ্রহ করা হয়।
- প্রাকৃতিক রোদে ধান শুকিয়ে প্রস্তুত করা হয়।
- ঐতিহ্যবাহী বা আধুনিক পদ্ধতিতে ধান ভাঙিয়ে চাল তৈরি করা হয়।
- চাল বাছাই করে ধুলা, ময়লা ও অনুপযুক্ত দানা অপসারণ করা হয়।
- স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্যাকেজিং করে সংরক্ষণ করা হয়।
স্বাদ, ঘ্রাণ ও বৈশিষ্ট্য
- প্রাকৃতিক গাঢ় কালো-বেগুনি রঙ।
- স্বতন্ত্র ও মনোরম ঘ্রাণ।
- রান্নার পর আকর্ষণীয় বেগুনি আভা তৈরি হয়।
- নরম ও সুস্বাদু ভাত তৈরিতে উপযোগী।
- ঐতিহ্যবাহী ও বিশেষ খাবারে আলাদা বৈচিত্র্য যোগ করে।
পুষ্টিগুণ
- কালো চালের স্বাভাবিক রঙের জন্য অ্যান্থোসায়ানিনসহ বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগের উপস্থিতি থাকতে পারে।
- খাদ্যআঁশের উৎস হিসেবে সুষম খাদ্যাভ্যাসে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
- আয়রন, ম্যাগনেসিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদান থাকতে পারে।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগের উৎস হতে পারে।
- স্বাভাবিক খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য যোগ করার জন্য উপযোগী।
চালের পুষ্টিগুণ জাত, চাষপদ্ধতি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপর নির্ভর করতে পারে। এটি কোনো রোগের চিকিৎসা বা নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানের বিকল্প নয়।
ব্যবহারবিধি
- ভাত রান্নায় ব্যবহার করা যায়।
- খিচুড়ি ও পোলাও তৈরিতে উপযোগী।
- পায়েস, ক্ষীর ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
- বিশেষ আয়োজন ও উৎসবের খাবারে ব্যবহার করা যায়।
- রান্নার আগে ৪–৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে চাল দ্রুত ও সমানভাবে সিদ্ধ হতে সহায়তা করতে পারে।
কালো বিন্নি চাল রান্নার আগে কয়েক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দিয়ে রান্না করলে নরম ও সুগন্ধি ভাত পাওয়া যায়। রান্নার পর চালের স্বাভাবিক বেগুনি আভা খাবারকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
সংরক্ষণ নির্দেশনা
- ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
- বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন।
- সরাসরি সূর্যালোক ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন।
- পোকামাকড় ও আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে পাত্র ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।
- দীর্ঘদিন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
পণ্য সম্পর্কিত তথ্য
```পণ্যের ধরন: কালো বিন্নি চাল
উৎপত্তি: খাগড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রাম
চাষ পদ্ধতি: পাহাড়ি জুম চাষ
ব্যবহার: ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, পায়েস ও বিশেষ খাবার
```খাঁটি পাহাড়ি কালো বিন্নি চাল অর্ডার করুন
খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জুম থেকে আপনার রান্নাঘরে ঐতিহ্যবাহী কালো বিন্নি চাল।
অর্ডার করতে কল বা WhatsApp: +8801511820222












